গাঁজা খাওয়ার অনুমতি চেয়ে জাবি ছাত্রের আবেদন :: ৩০শে অক্টোবরের পর যেকোনো দিন তফসিল: ইসি সচিব :: সুদানে প্রধানমন্ত্রীসহ সব মন্ত্রী বরখাস্ত :: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ :: বাংলাদেশে আসছে অ্যামাজন :: পেছন থেকে আইন টেনে ধরাদের সামনে আনুন :: প্রেমিকাকে খুঁজতে ২৪৭টি মেইল! ::
আজ শুক্রবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং  , ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঃ , ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিঃ
প্রধান প্রতিবেদন
সব কলকাঠি নেড়েছেন তারেক : আইনজীবী

‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান রূপকার হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনিই পেছন থেকে সব কলকাঠি নেড়েছেন।’ চাঞ্চল্যকর এই গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের দুই মামলায় গতকাল আইনি পয়েন্টে যুক্তি উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন সমাপ্ত না হওয়ায় আজও মামলার শুনানির জন্য দিন রাখেন বিচারক। কাজল ছাড়াও আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান, বিশেষ পিপি মো. আবু আবদুল্লাহ ভুঁইয়া, আইনজীবী আকরাম উদ্দিন শ্যামল, অ্যাডভোকেট ফারহানা রেজা, অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান, আশরাফ হোসেন তিতাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তিতর্কে কাজল বলেন, যারা দেশ পুনরায় পাকিস্তান তথা ১৯৪৭-এ ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিল তারাই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। হত্যাকারীরা ৭৫-এর ১৫ আগস্ট শিশু শেখ রাসেলকেও হত্যা থেকে বাদ দেয়নি। সে একইভাবে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর রক্ত শেখ হাসিনাকে হত্যার লক্ষ্য ঠিক করা হয়। তিনি বলেন, এই গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি হলেন তারেক রহমান। তিনি অন্যান্য আসামিদের সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। কাজল আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে নিশ্চিহ্ন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন তৎকালীন চারদলীয় জোটের শাসন ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতেই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা হাওয়া ভবনে বসে এ মামলার চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করেছিল। এতে হাওয়া ভবন কার্যালয়ের কর্ণধার তারেক জিয়া (তারেক রহমান) সরাসরি সম্পৃক্ত। তারেক রহমানের আশ্বাসে ও সহযোগিতায় ভয়াবহ ওই হামলা ঘটানো হয়েছে। কাজল বলেন, হাওয়া ভবনসহ ১০টি স্থানে ২১ আগস্ট হামলার ষড়যন্ত্রমূলক সভা ও পরিকল্পনা করা হয়। যাতে সরকারের মন্ত্রীসহ তাদের অনুগত প্রশাসনের কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন। ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলাকারীরা হামলা ঘটিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। মোশররফ হোসেন কাজল তার যুক্তির পক্ষে বিভিন্ন মামলার রেফারেন্স তুলে ধরেন। মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে দলীয় সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় দলীয় নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং আহত হন কয়েকশ মানুষ।



সূত্রঃ দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন - ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
অন্যান্য সংবাদ
ফটো গ্যালারী
  • নামাজের সময়সূচী

    মঙ্গলবার , ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
    ওয়াক্ত শুরু জামাত
    ফজর ০৪.৩১ ০৫.০০
    জোহর ১১.৫৮ ০১.১৫
    আসর ০৪.২২ ০৫.০০
    মাগরিব ০৬.১০ ০৬.১৫
    এশা ০৭.২৪ ০৭.৪৫
    সূর্যোদয় : ০৫.৪৩ মিঃ
    সূর্যাস্ত : ০৬.০৯ মিঃ
  • অনলাইন জরিপ

    আজকের প্রশ্নঃ- 
    ''সরকারের অযোগ্যতা ও দুর্নীতির কারণে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ”
    তার কথার সাথে আপনিও কি একমত ?
  • ভিজিটর তথ্য

    আপনার আইপি
    18.212.93.234
    আপনার অপারেটিং সিস্টেম
    Unknown
    আপনার ব্রাউজার
    " অপরিচিত "
  • অন্যান্য পাতাসমুহ

  • ভিজিটর কাউন্টার


    free hit counter
  • বিজ্ঞাপন